ফিক্সড ডিপোজিট ক্যালকুলেটর
ডিপোজিট ক্যালকুলেটর ব্যাংক ডিপোজিটের মুনাফা আন্দাজ করে: টাকার পরিমাণ, মেয়াদ (মাসে) ও বার্ষিক সুদের হার দিন, সুদ কীভাবে জমা হবে তা বেছে নিন – ক্যালকুলেটর শেষ ব্যালেন্স, অর্জিত সুদ ও কার্যকর বার্ষিক হার দেখাবে, সঙ্গে মাসভিত্তিক সূচি। যেকোনো ব্যাংকের জন্য কাজ করে: সুদের সূত্র সব জায়গায় একই।
ব্যাংক ডিপোজিট কী
ডিপোজিট মানে সুদের বিনিময়ে ব্যাংককে টাকা ধার দেওয়া: আপনি ব্যাংকে টাকা রাখেন, ব্যাংক সুদ দেয়। ব্যাংক হার আর মেয়াদ ঠিক করে এবং সুদ মাসে মাসে বা মেয়াদ শেষে দেয়। ডিপোজিট সঞ্চয়ের সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায়: আপনার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে থাকা ব্যাংকে নিরাপদ এবং ডিপোজিট বীমার আওতাধীন।
ক্যালকুলেটর ব্যবহারের পদ্ধতি
ডিপোজিটের পরিমাণ ও মেয়াদ (মাসে) লিখুন, তারপর ব্যাংকের অফারে থাকা বার্ষিক হার দিন। সুদযোগ বেছে নিন: সুদযোগ ছাড়া সুদ বাইরে দেওয়া হয় আর ডিপোজিট বাড়ে না; মাসিক বা দৈনিক সুদযোগে সুদ ব্যালেন্সে যোগ হয় এবং স্বয়ং সুদ ফলাতে শুরু করে। টাকা জমা বা তোলার পরিকল্পনা থাকলে “জমা ও উত্তোলন” চালু করে প্রতিটি লেনদেন মাস ও অংকসহ যোগ করুন – তা ঐ মাসের শুরুতেই হিসাবে ধরা হয়।
সুদের চক্রবৃদ্ধি (সুদযোগ)
সুদযোগ ছাড়া ব্যাংক প্রতি মাসে সুদ আলাদা হিসাবে সরিয়ে দেয়, ডিপোজিটের অংক একই থাকে – এটা “সরল সুদ”। সুদযোগ থাকলে সুদ ডিপোজিটেই জমা হয়: প্রতিটি পরিশোধের সঙ্গে ব্যালেন্স বাড়ে, এবং পরের সুদ বড় অংকের ওপর বসে – এটা “চক্রবৃদ্ধি সুদ”। ক্যালকুলেটরে দুটি বিকল্প তুলনা করে দেখুন: লম্বা মেয়াদে মুনাফার পার্থক্য স্পষ্ট বোঝা যায়।
কার্যকর সুদের হার
কার্যকর হার সুদযোগসহ ডিপোজিটের আসল বার্ষিক মুনাফা দেখায়: প্রথমিক অংকের তুলনায় অর্জিত সুদ, বছরের হিসাবে রূপান্তরিত। মাসিক সুদযোগে কার্যকর হার সবসময় ঘোষিত হারের চেয়ে বেশি – 7% হারে বিজ্ঞাপিত ডিপোজিট এক বছরে 7% এর বেশি আয় করে। ক্যালকুলেটর সার্বজনীন সূত্র ব্যবহার করে: পুরো মেয়াদের সুদ × 365 / (অংক × দিনে মেয়াদ) × 100।
ডিপোজিট সুদে কর
সুদের আয় করযোগ্য হতে পারে। বাংলাদেশে ব্যাংক ডিপোজিটের সুদের ওপর উৎসে আগাম আয়কর (AIT) কর্তন করা হয় – হার নির্ভর করে আপনার কর শ্রেণি ও ব্যাংকের ধরনের ওপর। ক্যালকুলেটর কর কাটার আগের আয় দেখায় – বড় অংকের জন্য সম্ভাব্য কর মাথায় রাখুন।
গণনাটি প্রাথমিক। সঠিক শর্ত আপনার ব্যাংকে দেখুন।